মাদারীপুরে সড়কের ওপর যত্রতত্র অবস্থায় রাখা নির্মাণসামগ্রী অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। পৌরসভার সহযোগিতায় বুধবার সকাল থেকে দিনব্যাপী শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে নির্মাণসামগ্রী অপসারণে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময় সড়ক ওপর নির্মাণসামগ্রী রাখার অপরাধে চার বাড়ির মালিককে আর্থিক জরিমানাও করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতের সূত্র জানায়, মাদারীপুর পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়কে ওপর ইট, বালি, সুরকি ও পাথর রেখে বহুতলা ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করে আসছিল স্থানীয়রা। এতে যানজট ও ভোগান্তি শিকার হচ্ছিল সাধারণ মানুষ, পথচারী ও যানবাহনের চালকরা। এছাড়াও সড়কের উপর নির্মাণসামগ্রী থাকায় প্রায়ই ঘটতো ছোট-বড় দুর্ঘটনা। সচেতন নাগরিক কমিটিসহ বিভিন্ন মহল এসব অপসারণের দাবি তোলায় মাদারীপুর পৌরসভার সহযোগিতায় শহরের ইটেরপুল এলাকা থেকে অভিযানে নামে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। পরে তারা সড়ক ওপর পড়ে থাকা নির্মাণসামগ্রী বুলডোজার দিয়ে অপসারণ করে। এ সময় বাড়ির মালিকদের সড়কে ওপর নির্মাণসামগ্রী না রাখতে সর্তক করে দেওয়া হয়। এছাড়া চারজন বাড়ির মালিককে সড়ক ওপর নির্মাণসামগ্রী রাখার অপরাধে প্রত্যেককে দুইশ টাকা করে আর্থিক জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম আনোয়ার হোসেন।
মাদারীপুর পৌরসভার মেয়র খালিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা আইন শৃঙ্খলা সভায় প্রায়ই সড়কের ওপর ফেলে রাখা নির্মাণসামগ্রী অপসারণ চেয়ে জেলা প্রশাসকের আছে আবেদন জানিয়েছি। (বুধবার) পৌরসভার সহযোগিতায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ফেলা রাখা নির্মাণসামগ্রী অপসারণের অভিযান পরিচালনা করেন। আমাদের দাবি তারা যেন প্রতিনিয়ত এই অভিযান চলমান রাখেন। এর ফলে শহরবাসীর জীবনযাত্রায় দুর্ভোগ কমবে।’
মাদারীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘সড়ক ও মহাসড়কের ওপর নির্মাণসামগ্রী রেখে নির্মাণ কাজ করা দন্ডনীয় অপরাধ। সড়কের উপর নির্মাণসামগ্রী থাকায় দুর্ভোগসহ দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পরে। আমরা প্রত্যেক বাড়ির মালিককে প্রাথমিক পর্যায়ে সর্তক করেছি। এরমধ্যে চারজনকে আর্থিক জরিমানাও করেছি। এমনকি সড়কের উপর রাখা নির্মানসামগ্রী বুলডোজার দিয়ে অপসারণ করেছি। আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলমান থাকবে।’
সতর্কবাণীঃ এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।
ভ্রাম্যমান আদালতের সূত্র জানায়, মাদারীপুর পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়কে ওপর ইট, বালি, সুরকি ও পাথর রেখে বহুতলা ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করে আসছিল স্থানীয়রা। এতে যানজট ও ভোগান্তি শিকার হচ্ছিল সাধারণ মানুষ, পথচারী ও যানবাহনের চালকরা। এছাড়াও সড়কের উপর নির্মাণসামগ্রী থাকায় প্রায়ই ঘটতো ছোট-বড় দুর্ঘটনা। সচেতন নাগরিক কমিটিসহ বিভিন্ন মহল এসব অপসারণের দাবি তোলায় মাদারীপুর পৌরসভার সহযোগিতায় শহরের ইটেরপুল এলাকা থেকে অভিযানে নামে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। পরে তারা সড়ক ওপর পড়ে থাকা নির্মাণসামগ্রী বুলডোজার দিয়ে অপসারণ করে। এ সময় বাড়ির মালিকদের সড়কে ওপর নির্মাণসামগ্রী না রাখতে সর্তক করে দেওয়া হয়। এছাড়া চারজন বাড়ির মালিককে সড়ক ওপর নির্মাণসামগ্রী রাখার অপরাধে প্রত্যেককে দুইশ টাকা করে আর্থিক জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম আনোয়ার হোসেন।
মাদারীপুর পৌরসভার মেয়র খালিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা আইন শৃঙ্খলা সভায় প্রায়ই সড়কের ওপর ফেলে রাখা নির্মাণসামগ্রী অপসারণ চেয়ে জেলা প্রশাসকের আছে আবেদন জানিয়েছি। (বুধবার) পৌরসভার সহযোগিতায় শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে ফেলা রাখা নির্মাণসামগ্রী অপসারণের অভিযান পরিচালনা করেন। আমাদের দাবি তারা যেন প্রতিনিয়ত এই অভিযান চলমান রাখেন। এর ফলে শহরবাসীর জীবনযাত্রায় দুর্ভোগ কমবে।’
মাদারীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী হাকিম আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘সড়ক ও মহাসড়কের ওপর নির্মাণসামগ্রী রেখে নির্মাণ কাজ করা দন্ডনীয় অপরাধ। সড়কের উপর নির্মাণসামগ্রী থাকায় দুর্ভোগসহ দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পরে। আমরা প্রত্যেক বাড়ির মালিককে প্রাথমিক পর্যায়ে সর্তক করেছি। এরমধ্যে চারজনকে আর্থিক জরিমানাও করেছি। এমনকি সড়কের উপর রাখা নির্মানসামগ্রী বুলডোজার দিয়ে অপসারণ করেছি। আমাদের এই অভিযান নিয়মিত চলমান থাকবে।’
সতর্কবাণীঃ এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং দণ্ডনীয় অপরাধ।


0 মন্তব্যসমূহ